২৮ ডিসেম্বর, ২০১২

একগোছা রজনী গন্ধা



তুই আসলেতে এমনই ছিলিস
আমি ভুল করে ভুল করেছি-তোকে অন্যরকম ভেবেছি
আর ভুল ভাঙাবার সেই মহান দায়টা তুই নিজেই নিয়েছিলিস
আমি বুঝে গেছি সেই প্রস্তরে যুগ থেকে
(তুই)  আসলে এমনই ছিলিস

তোর আচলে ঝিনুক ছিল
আমি ঝিনুকের কাটা ঘায়ে-হাসিতে অবলীলায়
সে ক্ষতের দাগে মজেছি-আমি তাতে উল্লাস খুজেছি
আর বুক ফাটা বিদ্রুপে-মাঝরাতে নিশ্চুপে সে ক্ষতে প্রলেপ বুলেছি
তোর আচলের ঝিনুকের দাগ-আমি গ্লিসারিনে ধুয়ে ফেলেছি

তোর বেপরোয়া বুকের কাছে-কিছু মরে যাওয়া বটের পাতায়
আমি প্রত্যাশা লিখেছিলাম- নীল নিয়নের নীল কবিতায়
আজ খসে যাওয়া সে পাতার জাল-কিছু আলটুসি কিছু জঞ্জাল
কিছু এলোমেলে পাগলামী আর
কিছু কাহারবা কিছু ঝাপতাল
আমি খুড়ে খুড়ে দেখেছি সবই-তোর মনের গভীর বিল খাল।
তুই শূন্য শূন্য শুধু তুই-
তুই একরাশ ফাঁকা বাষ্পই-
তুই রঙ পেন্সিলের রানী- তোর শরীরে অশরীরি ছাল
তোর বেপরোয়া বুকের ভাজে-আজ সভ্যতা বড় বেসামাল

শুধু লজ্জা লজ্জা টুকু থাক-তোর লজ্জাই স্মৃতি হয়ে থাক
ছেড়া বুকপকেটের এক ফাঁক-তোর জন্য বরাদ্দ থাক
তোর লিপস্টীকে রাত ভোর হোক-আর পেন্সিল হাতে থেকে যাক
শুধু লজ্জা লজ্জা টুকু থাক-থাক চোখে –ঠোঁটা-বুকে লেগে থাক।
তবু খুশি, কাল তোর হয়ে রাত
কেটেছিল সুন্দর, হঠাৎ
আজ ছন্দে পড়ল সোম যেই
আমার বুঝতে যে আর বাকি নেই
সব রূপকথা সব সপ্নেই-তুই সাঁঝবাতি সাজিয়েই থাক
তোর হৃদয়হীনাএই প্রেম-আজ আমাকে চিনিয়ে দিল রাত।

রাত গুন গুন ঘুম পাড়ানি
বলে (তুই) আসলে ছিলিস এমনই

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন